চাঙা হচ্ছে তৃণমূল আ.লীগ

নড়াইলের মানুষের ভরসার নাম শেখ আমিনুর

অল্প সময়ের মধ্যে জয় করে নিয়েছেন অগণিত মানুষের হৃদয়। গরীব দুঃখী মানুষের বন্ধু হিসেবে পেয়েছেন তুমুল পরিচিতি। তৃণমূলের বঞ্চিত ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের ভরসা হয়ে উঠেছেন তিনি। অল্প সময়ের মধ্যে ঝিমিয়ে পড়া নড়াইলে আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে চাঙা করেছেন তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্ব ও যোগ্যতায়। তিনি ইতালি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নড়াইল আওয়ামী লীগের নেতা শেখ মো. আমিনুর রহমান হিমু।

শত শত দরিদ্র শিক্ষার্থীর মাঝে বৃত্তি প্রদান, তাদের পড়াশোনার ব্যয়ভার বহন, সুবিধাবঞ্চিত শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, গরীর দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানো, নড়াইলের তৃণমূলপর্যায়ে ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীদের খোঁজ নেওয়াসহ রাজনীতিকে উর্বর করার লক্ষে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। যার ফলে এরই মধ্যে বিভিন্ন মহলে কুড়িয়ে নিয়েছেন বেশ সুনাম।

জানা গেছে, নড়াইলের লোহাগড়া ও সদর উপজেলায় (নড়াইল-২ আসন) দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা সবসময় পাশে পান শেখ মো. আমিনুর রহমান হিমুকে। এসএসসি ও এইচএসপি পরীক্ষার সময় ফরম পূরণের ফি জোগাড় করতে না পারা শিক্ষার্থীর পাশে ঠিক সময়মতোই দাঁড়িয়ে যান তিনি। এ জন্য দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের কাছেও তিনি খুবই জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন।

এলাকার মানুষ জানান, প্রতিবছর শীতের শুরুতেই সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন শেখ মো. আমিনুর রহমান হিমু। শীতবস্ত্র পেয়ে শীতের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হয় এসব নিম্ন-শ্রেণির মানুষের।

শুধু তাই নয়, অভাবী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে সবসময় তৎপর থাকেন হিমু। অর্থের অভাবে চিকিৎসা সেবা নিতে না পারা রোগীদের পাশেও দাঁড়ান তিনি। বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে খবর নেন অসহায় রোগীদের। তাদের পাশে দাঁড়ান, ভরসা হয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

নড়াইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বিশ্বাস বলেন, ‘আমিনুর রহমান হিমু একজন সুপার লোক। উনার পাশে এলাকার নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও আছে। আমরাও চাই, তাঁর মতো ভালো মানুষ আগামী দিনে এলাকায় জনপ্রতিনিধিত্ব করুক। তাহলে এলাকারও উন্নয়ন হবে।’

নড়াইল পৌরসভার মেয়র জাহাঙ্গীর বিশ্বাস বলেন, ‘শেখ আমিনুর রহমান হিমু ব্যক্তি হিসেবে যেমন ভালো, এলাকার মানুষের কাছেও তেমনই জনপ্রিয় এবং গ্রহণযোগ্য। বিপদে আপদে তিনি সবসময়ই মানুষের পাশে থাকেন।’

নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও লোহাগাড়ার শালনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তসরুল খান বলেন, ‘অন্য প্রার্থীদের তুলনায় জনপ্রিয়তার দিক থেকে অনেকখানি এগিয়ে আছেন শেখ মো. আমিনুর রহমান হিমু। তিনি এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মন কেড়ে নিতে সক্ষম হয়েছেন। সবার পাশে দাঁড়ান। বিশেষ করে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের সময় তিনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। সর্বোপরি তিনি একজন দানশীল মানুষ।’

লাহুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দাউদ হোসেন বলেন, ‘আমিনুর রহমান হিমু খুবই সৎ মানুষ। তিনি এলাকায় এলে নিজে যেমন মানুষের পাশে দাঁড়ান, তেমনই সাধারণ মানুষও তাঁকে দেখতে দলে দলে ছুটে যায়। আগামী নির্বাচনের সম্ভ্যাব্য প্রার্থীদের মধ্যে তিনি অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি ব্যতিক্রম।’

কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, ‘অনেক নেতা আছেন নির্বাচিত হয়ে গেলে এলাকায় আর খোঁজই নেন না। কিন্তু হিমু ভাই কোনো জনপ্রতিনিধি না হয়েও সবসময় মানুষের পাশে আছেন। তিনি জনপ্রতিনিধি হলে নিশ্চয়ই মানুষের জন্য আরও কল্যাণকর কাজ করবেন। আমরা সবাই তাঁর পাশে আছি।’

লোহাগড়ার ৩ নম্বর শালনগর ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. ইয়ার আলী বলেন, ‘সাধারণ মানুষ এবং দলীয় নেতাকর্মীরা শেখ আমিনুর রহমান হিমুকে যতটা পাশে পায়, অন্য নেতাদের ততটা পায় না। অন্যরা তৃণমূলের নেতাকর্মীদের খোঁজখবরই রাখেন না। সেদিক থেকে হিমু একেবারেই অনন্য। তিনি ঝিমিয়ে পড়া রাজনীতিকে চাঙা করেছেন। মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ঈদ-পূজাসহ বিভিন্ন উৎসবে সবার সঙ্গে একাত্মভাবে সময় কাটান। একটু পিছিয়ে পড়া মানুষদের সহযোগিতা করে এগিয়ে দিচ্ছেন।’

শেখ মো. আমিনুর রহমান হিমু বলেন, ‘আমি দেশে ফেরার পর থেকেই জনগনের সঙ্গে ওঁৎপ্রোতভাবে মিশে আছি। তাদের সুখে-দুঃখে থাকার চেষ্টা করি। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের দেশ গড়তে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। বিশেষ করে নড়াইলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাধে সবসময় থাকার চেষ্টা করি। দলের ত্যাগী ও বঞ্চিত নেতাকর্মী থেকে শুরু করে তৃণমূলপর্যায়ে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের খোঁজখবর রাখি। তারাও আমাকে পেয়ে চাঙা হয়ে উঠেছে। এলাকার রাজনীতি এখন বেশ চাঙা।’

One thought on “নড়াইলের মানুষের ভরসার নাম শেখ আমিনুর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।