প্রথম উইম্বলডন মুগুরুজার

ভেনাসকে অসহায় দর্শক বানিয়ে কাল উইম্বলডনের শিরোপার উল্লাস করলেন ২৩ বছর বয়সী স্প্যানিশ কন্যা।

ফাইনালটা জিতে নিলেন ৭-৫, ৬-০ গেমে।

টুর্নামেন্টে ষষ্ঠ ও ক্যারিয়ারের অষ্টম গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপার আশায় থাকা ভেনাসের নয়, উইম্বলডনের অনার্সবোর্ডে প্রথমবার উঠল মুগুরুজার নাম।

রেকর্ডটা ভেনাসের ‘ঘরে’ই ছিল। এই উইম্বলডন জিতেই গত বছর মার্টিনা নাভ্রাতিলোভাকে পেরিয়ে সবচেয়ে বেশি বয়সে গ্র্যান্ড স্লামের মেয়েদের এককে জয়ের রেকর্ড গড়েছিলেন ভেনাসের দুই বছরের ছোট বোন সেরেনা। গত জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙেন ৩৫ বছর বয়সী সেরেনা। কাল ভেনাস পারলেন না বোনের রেকর্ডটা নিজের করে নিতে। সেরেনা ছাড়া অন্য কারও কাছে গ্র্যান্ড স্লামের ফাইনালে হারের স্বাদও পেলেন দুই দশক পর। ১৯৯৭ ইউএস ওপেনে নিজের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম ফাইনালে হেরেছিলেন মার্টিনা হিঙ্গিসের কাছে। এরপর এত বছরে যতগুলো গ্র্যান্ড স্লামে রানারআপ হয়েছেন ভেনাস, সবগুলোতেই চ্যাম্পিয়নের নাম ছিল সেরেনা উইলিয়ামস।

প্রথম সেটের প্রথম নয় গেমে দুজনই নিজেদের সার্ভিস জিতেছিলেন। ভেনাস ৫-৪ গেমে এগিয়ে। এরপরই বড় একটা সুযোগ এসেছিল তাঁর সামনে। মুগুরুজার সার্ভিস গেমে দুটি সেট পয়েন্ট পেয়েছিলেন (১৫-৪০)। কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারলেন না। ম্যাচের সবচেয়ে ধ্রুপদি টেনিস হলো ওই সময়েই। দুজন বেসলাইনে দাঁড়িয়ে টানা ১৯ শটের র‍্যালি করলেন, শেষ পর্যন্ত যেটির সমাপ্তি হলো ভেনাসের রিটার্ন জালে আটকে যাওয়ায় (৩০-৪০)।

ভেনাসও যেন আটকে গেলেন সেখানে। দুর্দান্ত এইসে ওই গেমে সমতা ফেরান মুগুরুজা। গেমটা জিতেও নেন

দুই বছর আগে এই উইম্বলডনেই সেরেনার কাছেই ফাইনালে হেরেছিলেন মুগুরুজা। ঠিক প্রতিশোধ বলা যাবে না, তবে আরেক উইলিয়ামসকে হারানোয় সেই রেশটা তো থাকলই।

ট্রফি হাতে নিয়ে দেওয়া মুগুরুজার প্রতিক্রিয়ায় অবশ্য বয়সে ১৪ বছরের বড় ভেনাসের মুখে হাসি ফুটল, ‘তাঁকে (ভেনাসকে) দেখেই আমি বড় হয়েছি। তাঁর বিপক্ষে ফাইনালে খেলতে পারাটাই অবিশ্বাস্য।’

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।