স্বামীজির পুরুষাঙ্গ কর্তন করেই জবাব দিলো মেয়েটি!

জয়নাল আবেদীন » 

‘স্বামীজির’ হাত থেকে কিছুতেই রেহাই পাচ্ছিলেন না তিনি। বহুদিন ধরেই নাকি নির্যাতনের শিকার। ধর্ষণচেষ্টাও হয়েছে বহুবার। নিজের মাকে জানিয়েও রেহাই পান না মেয়েটি।
 
দেয়ালে যখন পিঠ ঠেকে গেলো, নিজেই হাতে তুলে নিলেন হাতিয়ার। শেষদিন যখন ধর্ষণের চেষ্টা করে, স্বামীজির শরীর থেকে পুরুষাঙ্গ আলাদা করে দিলেন এক পোঁছে!
 
আমাদের দেশের না, খবরটি প্রতিবেশী দেশ ভারতের। কেরালা রাজ্যের এই ঘটনা এখন ‘টক অব দ্য ইন্ডিয়া’। স্বামীজির চিকিৎসা চলছে পুলিশ হেফাজতে। চিকিৎসকেরা চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। বিচ্ছিন্ন পুরষাঙ্গটি আর জোড়া লাগেনি!
 
এমন একটি ঘটনার পরে আমাদের দেশের সমালোচকেরা কে কেমন মন্তব্য করতেন?
 
জানি, অনেকেই দোষ চাপিয়ে দিতেন মেয়েটির ওপর। এত মেয়ে থাকতে স্বামীজির চোখ এই মেয়ের ওপর কেন পড়লো? কেন সে-ই ধর্ষণচেষ্টার শিকার হবে? কেন সে একজন পুরুষকে ‘পুরুষত্বহীন’ করে দিলো? এমন যা তা কথায় সয়লাব হয়ে যেতো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম।
 
ভারতে কিন্তু এমন কিছু হচ্ছে না।
 
খবর শুনে প্রথমেই মেয়েটিকে ‘সাহসিনী’ আখ্যা দিয়ে দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। পুলিশ মেয়েটির বিরুদ্ধে টু শব্দও করছে না। মামলা হয়েছে স্বামীজির নামে। এমনকি নির্যাতনের ঘটনা আগে থেকে জেনেও চুপ থাকার কারণে ‘ধর্ষণচেষ্টায় সহযোগিতার’ অভিযোগ আনা হবে মেয়েটির মা’র বিরুদ্ধে।
 
বলতে গেলে এই সাহসিনীর পক্ষে একাট্টা সবাই। ধর্ষককে আমরা পুরুষ বলে স্বীকার করবো না। সে ক্ষেত্রে ধর্ষকের পুরুষাঙ্গ বিচ্ছিন্ন করে তাদেরকে পুরুষত্বহীন করে দেওয়াটাই আসল প্রতিষেধক। এটাই আসল প্রতিরোধ।
 
লেখক : সংবাদকর্মী, news.joynal@gmail.com

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।