গাজীপুরের বাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

জরাজীর্ণ ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাশ করে শিশুরা

দেওয়াল ফেটে জরাজর্ণী হয়ে আছে ভবন। মাঝে মধ্যেই খসে পড়ে ছাদের পলেস্তরা। শিশুরা মেঝেতে খেলাধুলা করলে কেঁপে উঠে ভবন। লক্কর-ঝক্কর এমন ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাশ করছে কয়েক’শ শিশু শিক্ষার্থী। যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। এ নিয়ে উৎকণ্ঠায় রয়েছেন অভিভাবক ও শিক্ষকরা।

¯
¯

প্রধান শিক্ষক মো. গোলাম মোস্তফা জানান, স্কুলে শিক্ষার্থী রয়েছে সাড়ে ৬ শতাধিক। ভবন আছে দুইটি। পুরাতন ভবনটি ১৯৯৭ সালে নির্মান করা হয়েছিল। নিন্মমানের কাজের কারনে ভবনটিতে অল্প দিনেই ফাটল দেখা দেয়। দেবে যেতে থাকে মেঝে, খুলে পড়েতে শুরু করে ছাদের পলেস্তরা। অনেক জায়গায় ছাদের রড বেড়িয়ে গেছে। ৫-৬ বছর আগে ভবনটি ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। স্থানের অভাবে ঝুঁকি নিয়েই শিশুদের ক্লাশ নেওয়া হচ্ছে। ভবনটি এখন এতটাই ব্যবহারের অযোগ্য যে শিশুরা মেঝেতে দৌড়-ঝাপ করলেও নড়েচড়ে উঠে ইট-পাথর। সব সময় উৎকণ্ঠায় থাকি, কখন কি হয়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ ভবনটিকে ঝুকিপূর্ণ ঘোষনা না করে নতুন ভবন নির্মানের টেন্ডার আহবান করেছে। কিন্তু নতুন ভবন নির্মাণের পর্যাপ্ত জমি নেই। তাই ঝুকিপূর্ণ ভবনটি অপসারন করা জরুরী হয়ে পড়েছে।

gazipur school (1)

এ ব্যাপারে গাজীপুর সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. বদরুল আজম জানান, যে পরিমান জমি খালি রয়েছে, সেখানে ভবন নির্মান করা হলে স্কুলের মাঠ থাকবে না। এমনকি পাশের হাই স্কুলের প্রধান ফটক প্রায় বন্ধ হয়ে যাবে। পুরাতন ভবনটি পরিত্যাক্ত ঘোষণা করতে হলে ঢাকায় প্রতিবেদন পাঠাতে এবং আলাদা একটি কমিটি গঠন করতে হবে। এজন্যে সময়ও লাগবে। কিন্তু আগামী জুনের মধ্যে ভবন নির্মান না করা হলে অর্থ ফেরত চলে যাবে।

ছবি: নিউজ ১৯৭১।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।