একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

শাহীন আহমেদকে ঘিরে স্বপ্ন দেখছেন ঢাকা-২ এর মানুষ

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে শাহীন আহমেদকে এমপি হিসেবে দেখতে চায় স্থানীয় কর্মী-সমর্থকসহ সাধারণ জনগন। এ লক্ষে এরই মধ্যে শাহীন আহমেদকে ঘিরে স্বপ্ন দেখতেও শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যার প্রমাণ মিলছে শাহীন আহমেদের সভা-সমাবেশে।

পবিত্র রমজান জুড়ে ইফতার মাহফিলে শাহীন আহমেদের সমর্থকদের যেমন এক কাতারে দেখা গেছে  ঠিক তেমনি আবার শাহীন সমর্থনে জনতার ঢল দেখা গেছে গত ৮ জুলাই। এ দিন বেসরকারি টেলিভিশন ডিবিসি নিউজ তাদের ইলেকশন এক্সপ্রেসে ঢাকা-২ নিয়ে সম্প্রচার করেছেন।

এ উপলক্ষে ওইদিন দিনভর হাজার হাজার জনতার উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, শাহীন আহমেদ সত্যিকারেরই একজন জনপ্রিয় নেতা। সে দিনের রাতের সংবাদেও কেরাণীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মাঠে শাহীন সমর্থনে ছিল উপচেপরা জনতার ভীড়।

তাদের সাথে কথা বলে জানাযায়, এরই মধ্যে তরুন এই আওয়ামী লীগ নেতা বিপুল ভোটের ব্যবধানে পর পর দুইবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে পেয়েছেন বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যানের পদকও। উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক এর পদ পেয়ে তরুণ এই যুবনেতা দায়িত্ব পান দল গোছানোর। তার সুচিন্তিত মেধা আর মননের ফলশ্রুতিতে বিভক্তি আর কোন্দল এড়িয়ে কেরাণীগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা এখন একমঞ্চে। যে কারণে বর্তমানে নেতা-কর্মীদের স্বত:স্ফুর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে দলীয় সব কর্মসূচী ।

শাহীন আহমেদ এর সঠিক দিকনির্দেশনায় আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী ও চাঙ্গা হয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও তার সকল অঙ্গ-সংগঠন। ফলে স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও সকল অঙ্গ সংগঠনে শৃঙ্খলতা বজায় রয়েছে এবং দল শক্তিশালী হয়ে অহিংস ভাবে রাজনীতির মাঠ দখলে রেখেছে । ফলে অত্যন্ত সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে এখানকার আওয়ামী রাজনীতি।

এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে হযরতপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো.আনোয়ার হোসেন আয়নাল নিউজ-১৯৭১কে জানান, এলাকাবাসীর অত্যন্ত আস্থাভাজন ও তাদের সুখ-দু:খের অংশীদার হিসেবে হযরতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও তাদের সকল অঙ্গ সংগঠনের পক্ষথেকে শাহীন আহমেদকেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চাই।

তারানগর ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ফারুক বলেন ঢাকা-২ আসন থেকে এমপি হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার মত সকল গুণাবলী শাহীন আহমেদের রয়েছে।

তিনি বলেন, একজন যোগ্যনেতা হিসেবে জনগণের সাথে রয়েছে তার যথেষ্ঠ সম্পৃক্ততা। তিনি একজন ন্যায় বিচারক। মাদকের বিরুদ্ধে তিনি সবসময়ই সোচ্ছার ভূমিকা রেখে আসছেন যে কারনে আমাদের আগে এলাকার সাধারণ জনগণই তাকে এমপি হিসেবে পেতে চায়।

শাক্তা ইউপি চেয়ারম্যান মো. সালাহ উদ্দিন লিটন বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২ আসনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে প্রার্থী হিসেবে শাহীন আহমেদের কোন বিকল্প নাই। তিনি বলেন ঢাকা-২ আসনের জনগণ শাহীন আহমেদকে এমপি হিসেবে দেখতে চান । এটা তাদের মুখের কথা নয় এটা তাদের প্রাণের দাবি।

তিনি বলেন, শাহীন আহমেদ এলাকার মানুষের মনের কথা বোঝেন। মানুষের চাহিদার কথা বোঝেন সেজন্য এলাকার আপামর মানুষও তাকে ভালোবাসেন। দলীয় দিক থেকেও একেবারে তৃণমূল থেকে সমন্বয় রেখেই তিনি দলকে সু-সংগঠিত রেখেছেন। কাজেই শাহীন আহমেদ ঢাকা-২ আসন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পাক এটা শুধু শাক্তা ইউনিয়নবাসীর দাবি নয়। এটা ঢাকা-২ আসনের প্রতিটা মানুষের মনের কথা।

কালিন্দী ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মোজাম্মেল হোসেন বলেন, শাহীন আহমেদ হচ্ছেন মাটি ও মানুষের নেতা। একদম তৃণমূল থেকে কিভাবে দলকে সু-সংগঠিত রাখতে হয়। কিভাবে তৃণমূলের একজন নেতা-কর্মীর মন জয় করা যায় এসব গুণাবলী তার মধ্যে বিদ্ধমান। এলাকাবাসী তাদের নেতা হিসেবে ঘুরেফিরে তাকেই সবসময় কাছে পায় তাই তার প্রতি এলাকার সাধারণ জনগনের বড় রকমের একটা আস্থা তৈরী হয়েছে। এ আস্থা থেকেই এলাকাবাসী তাকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২ আসন থেকে এমপি হিসেবে পেতে চায়।

বাস্তা ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মো.আশকর আলী বলেন, বাস্তা ইউনিয়নের পক্ষথেকে আমরা মনে-প্রাণে শাহীন আহমেদকেই আগামীতে ঢাকা-২ আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চাই।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার জানামতে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে কোন দ্বিমত নাই। কারন এলাকার উন্নয়নে তার রয়েছে বিশেষ নজরদারি। ঢাকা-২ আসনের অংশ হিসেবে সাভার ও কামরাঙ্গীর চর এলাকায়ও তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে বলেও তিনি জানান।

কালিন্দী ইউনিয়নর্ আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদ হোসেন রনি ও ঢাকা জেলঅ ছাত্র লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইয়ামিন বলেন, কালিন্দী এলাকায় শাহীন আহমেদের রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। এলাকাবাসী তাদের যেকোন ধরনের চাহিদার সময় শাহীন আহমেদকেই কাছে পায়। কাজেই কালিন্দী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও তাদের সকল অঙ্গ সংগঠন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২ আসন থেকে শাহীন আহমেদকেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে পেতে চায়।

এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে শাহীন আহমেদ নিউজ১৯৭১কে বলেন,  যেহেতু কেরাণীগঞ্জকে ঘিরেই আমার রাজনীতি কাজেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২ আসন থেকে আমি মনোনয়ন চাইতেই পারি এবং চাইবো। তিনি বলেন বিগত সরকারের আমলে আমার ওপর যথেষ্ট নির্যাতন হয়েছে। আমার পরিবারের ওপর নির্যাতন হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে ৩৭টি মামলা দেওয়া হয়েছিল । আমি জেল খেটেছি কিন্তু সংগঠন থেকে পিছিয়ে আসিনি।

তিনি বলেন, জনগণ সবসময় নেতাদের কাছে পেতে চায়। তাই আমিও সবসময় জনগনের খুব কাছে থেকেই তাদের সেবা দেয়ার চেষ্টা করে আসছি। আমি দিন-রাত তাদের সাথেই আছি। এলাকাবাসীর দোয়া ও সমর্থনে আমি পর পর দুইবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। কেরাণীগঞ্জ ছাড়াও ঢাকা-২ আসনের অংশ বিশেষ সাবারের ভাকুর্তা ও কামরাঙ্গীর চরেও আমার যথেষ্ট যোগাযোগ আছে। কাজেই সাংগঠনিক দিক বিবেচনা করলে ঢাকা-২ আসন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমিই মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য বলে মনে করি এবং আমাকেই মনোনয়ন দেয়া উচিত বলেও আমি মনে করি। শাহীন আহমেদ বলেন দলীয় সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আমার অবিচল আস্থা রয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার স্বার্থে আশা করি তিনি আমাকেই মনোনয়ন দিবেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।