চোখের জলে লেখা এক সাগর বিষাদ

জয়নাল আবেদীন »

কোন এক বিদগ্ধ মনীষী বলেছেন, ‘পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী বোঝা হল, পিতার কাঁধে পুত্রের লাশ’। হয়ত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কষ্টও এটি। আর এই কষ্টের বোঝার মত ৪৫টি লাশ উঠেছে পিতার কাঁধে, মামার কাঁধে, চাচার কাঁধে। এ দৃশ্য দেখেছে মমতাময়ী মা। দেখেছে স্নেহময়ী বোন, সহপাঠী, আত্মীয়-পরিজন, পাড়া-প্রতিবেশী। দেখেছে মিরসরাই। দেখেছে বাংলাদেশ, বিশ্বভূবন।

সোমবার, ১১ জুলাই ২০১১। মিরসরাই উপজেলার বড়তাকিয়া-আবুতোরাব সড়কের দক্ষিণ সৈদালী এলাকায় ৭০-৮০ জন কিশোর শিক্ষার্থী নিয়ে ডোবায় উল্টে যায় মিনিট্রাক। বিজয়ের আনন্দে নিমিষেই বিষাদ নেমে আসে।

ডোবার জল থেকে একের পর এক উঠে আসে লাশ। লাশের সারি থেকে তুলে নিজের ছেলের লাশ কাঁধে দাঁড়িয়ে আছেন এক বাবা। বাবার অসহায় দৃষ্টি চেয়ে আছে বাংলাদেশের দিকে। চোখ দুটি ছলছল করছে। বাড়ির আঙিনায় কাঠের পাটাতনের ওপর ছেলের নিথর দেহ রাখা হয়। ততক্ষণে মা বুক থাপড়ে আহাজারি করতে থাকেন। বৃদ্ধ দাদা নিকটেই বসে আছেন নির্বাক। নাতির চেহারার কাছাকাছি নিজের মুখটা এগিয়ে স্পষ্ট করে কি যেন দেখতে চাইছেন দাদি। হয়তো চোখে ঝাপসা দেখছেন। আরো ভাল করে দেখতে চাইছেন, আদরের নাতির দেহে প্রাণের স্পন্দন আছে কি না। ফুটবল খেলায় প্রতিপক্ষকে হারিয়ে আনন্দ উল্লাস করে ফেরার পথে নিজের জীবন থেকেই হারিয়ে গেল কিশোর ছেলেটি।

এই কিশোরের সঙ্গে আরো ৩৮ কিশোর শিক্ষার্থী মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিল। ছেলের মৃত্যু হয়েছে ভেবে হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেলেন এক বাবা। দীর্ঘ সময় হাসপাতালের বিছানায় মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে বিদায় নিল আরো পাঁচ কিশোর শিক্ষার্থী।

সর্বমোট ৪৫ জনের প্রাণের বিনিময়ে রচিত হয় মিরসরাই ট্র্যাজেডি। ভিসুভিয়াসের লাভার নিচে ধ্বংস হয়ে যায় আবুতোরাব এলাকার একটি প্রজন্ম। সেই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে কালো কাঁচে বন্দি হয়ে আছে আজো। থাকবে চিরকাল।

ওপরে একটিমাত্র কিশোর শিক্ষার্থীর উদাহরণ টানা হল। মিরসরাইয়ের মায়ানী ও মঘাদিয়ার গ্রামে গ্রামে সেদিন অভিন্ন দৃশ্যের অবতারণা ঘটেছিল। বাংলাদেশের মানুষ শোকে স্তব্ধ হয়েছিল। একসঙ্গে এত কিশোর শিক্ষার্থীর মৃত্যু, এত দীর্ঘ লাশের মিছিল ইতিপূর্বে দেখেনি কেউ। দুর্ঘটনার প্রথমদিকে এত মৃত্যু কারো ভাবনায়ও ছিল না। ছোট্ট একটি ডোবার জলে কতটা শেষ নিঃশ্বাসই বা মিশতে পারে! ১১ জুলাই দুর্ঘটনাস্থলে ৩৯ জন থেকে শুরু করে সর্বশেষ ২৪ নভেম্বর রাত সাড়ে ৯টায় নয়ন শীলের মৃত্যু পর্যন্ত ৪৫টি মৃত্যু গুনতে হয়েছে। তন্মধ্যে ৪৩ জনই শিক্ষার্থী। সেদিন রাতে আবুতোরাব বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। মুসলিম সম্প্রদায়ের সবগুলো লাশ সারিবদ্ধ খাটিয়ায় ওঠে একসঙ্গে। একত্রে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।

পরেরদিনের শোকাবহ কিছু খণ্ডচিত্র কোনদিন ভুলবার নয়। মিরসরাই ট্র্যাজেডির স্মৃতিতে একবার ঘুরে আসলে সমস্ত শরীর হিম হয়ে আসে আজও। সেদিনের স্থির চিত্রাবলী দেখে শিউরে উঠি। একটি ছবি দেখে পরেরটি দেখার প্রবল আগ্রহ জন্ম নেয়। যদিও সবগুলো চিত্র শুধুই যন্ত্রণার-বেদনার।

ছায়া-সুনিবিড় গ্রাম মায়ানী। গাঁয়ের মেঠোপথের দুই ধারে যেখান থেকে ভেসে আসে আহাজারির ধ্বনি, ছোট্ট এসব ঘরখানি কেবল ঘর নয়, যেন একেকটি কান্নাঘর। সেখানে ঘরের দাওয়ায় বসে কাঁদেন মা, কাঁদেন বোন-স্বজন। প্রকৃতির পানে ফ্যালফ্যাল তাকিয়ে থাকেন বাবা। তাদের শোক ছড়িয়ে যায় ঘর থেকে ঘরে, পথ থেকে পথে, দূর থেকে দূরে। তাদের শোকে মুহ্যমান হয় প্রতিবেশী, প্রকৃতি-পরিবেশ-প্রতিবেশ।

অনগ্রসর এই জনপদের প্রতিটি ঘরে ঘরে নিয়ত ট্র্যাজেডির রেখাপাত ঘটে। এখানকার মানুষের জীবনের মোড়ে মোড়ে কেবল দুঃখ আর অশ্রু। কিন্তু এ কোন ট্র্যাজেডি রচিত হলো তাদের দিয়ে! ট্র্যাজেডিতে যাদের জীবন গড়া, সেই জীবনে আবার এ কেমন ট্র্যাজেডি! তাদের এ ট্র্যাজেডি কেবল কাঁদায়। আবুতোরাব নয়, মিরসরাই নয়, নয় বাংলাদেশ। এই ট্র্যাজেডি থমকে দেয় গোটা বিশ্বকে।

আবুতোরাব বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় রীতিমত শোকের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। এ বিদ্যাপীঠের ৩৩ শিক্ষার্থী হারিয়ে গেছে মিরসরাই ট্র্যাজেডিতে। আবুতোরাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার, প্রফেসর কামাল উদ্দিন চৌধুরী কলেজের দুই এবং আবুতোরাব মাদ্রাসার দুই জন শিক্ষার্থী মারা যায় এই দুর্ঘটনায়।

দুর্ঘটনার পরবর্তী কয়েকদিন সারা বাংলাদেশের মানুষের দৃষ্টি ছিল এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দিকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ, এ কিউ এম বদরুদ্দৌজা চৌধুরীসহ সরকারের অধিকাংশ মন্ত্রী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতারা ছুটে যান মিরসরাইয়ের শোকে শামিল হতে। স্থানীয় পর্যায়ে সাংসদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানদ্বয়, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী এবং সর্বস্তরের মানুষ এই ঘটনায় সর্বোচ্চ উদারতা দেখিয়েছেন। মিরসরাই ট্র্যাজেডিকে নিয়ে কেউ রাজনীতি করেননি— এটা একটা ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

এই একটি দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে সমগ্র বাংলাদেশ। সাংবাদিক, লেখক, কলামিষ্ট, প্রাবন্ধিক, বুদ্ধিজীবী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষের মধ্য থেকে একটা জোরালো দাবি উঠে আসে। নিরাপদ সড়কের দাবি জানিয়ে মোটরযান আইন সংশোধনেরও প্রস্তাব আসে। এতগুলো প্রাণ-বিনাশী এই দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে দেড় শ বছরের পুরোনো আইনের সংশোধন করার দাবি জোরালো হলেও এখন পর্যন্ত এর কোন অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়নি। বরং শেষ পর্যন্ত ঘাতক মফিজ উদ্দিনের বিচার হয়েছে ব্রিটিশ আমলের সেই পুরোনো আইনে। মাত্র পাঁচ বছরের জেল হয়েছে ৪৫ প্রাণের ঘাতকের। আদালত দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলাটির রায় দিতে সমর্থ হলেও এটিকে ‘গুরুপাপে লঘুদণ্ড’ বলে আখ্যা দেন সর্বস্তরের জনতা। বছরের শেষের দিকে ৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের আদালতে ১৫২ দিনের মাথায় দেশের আলোচিত এই মামলাটির রায় দেওয়া হয়।

সেই ছোট্ট সোনামনিকে নিয়ে মা-বাবার কত স্বপ্ন ছিল। ছেলে চিকিৎসক হবে, প্রকৌশলী হবে, শিক্ষক হবে। কিন্তু এতগুলো স্বপ্ন নিমিষেই ধুলিস্যাৎ হয়ে গেল। দিন যায়, মাস যায়। আবুতোরাবের শোকের বাতাস মিলিয়ে যায় দূর দিগন্তের পানে। কিন্তু কান্নাঘরে রাত-বিরাতে গুমরে ওঠে বিলাপের ধ্বনি। বুকের মানিক হারানো মা-বাবার ঘুম ভাঙে বিলাপের কান্নায়।

তাদের মনে রাত নামে, প্রকৃতির আঁধারের চেয়ে ভয়ঙ্কর অমানিশায় ঢেকে যায় তাদের তিমির। তারা যেন আজও একেকটি রাত জাগানিয়া পাখি। তাদের নয়ন যেন ভোরের শিশির। তাদের দুপুর যেন কুয়াশাচ্ছন্ন আধো আলো আধো আঁধারির নির্মম খেলা। তাদের সকাল, দুপুর, বিকেল, সন্ধ্যা, রাত যেন এক সুতোয় গাঁথা। মধ্যরাতের আকাশপানে তারা চেয়ে থাকে। দেখতে থাকে তাদের হারানো মানিক কোনপানে জ্বলে ওঠে। আকাশের মিটিমিটি তারা জ্বলে ওঠে, মেঘে ঢেকে যায়, হারিয়ে যায়, নিভেও যায়। বুক ধড়ফড় করতে করতে একসময় আকাশ পানে মিলিয়ে যায় স্বপ্ন। প্রকৃতির রঙে হারিয়ে যায় অশ্রু।

মায়ানী ও মঘাদিয়া ইউনিয়নের ছয়টি গ্রামে রচিত হলো যে শোকগাথা, মিরসরাইবাসীসহ গোটা দেশবাসীকে তা বয়ে বেড়াতে হবে বছরের পর বছর। আকাশের মিটিমিটি তারাদের মধ্যে এই ট্র্যাজেডিতে নিভে যাওয়া ধ্রুবতারাগুলো কোথায় জ্বলে উঠবে— তা যদি জানতেন প্রিয় সন্তানহারা বেদনাবিধুর বাবা আর মমতাময়ী মায়েরা; তবে কি তারা যুগ যুগ ধরে চেয়ে থাকবেন না ওই দূর আকাশের পানে?

প্রতিবছর দিনটি এলে হয়তো সারাদেশের শিক্ষার্থীরা শোক জানাবে নিহত শিক্ষার্থীদের স্মৃতির প্রতি। এই একটি দিন হয়তো মায়ানী ও মঘাদিয়ার ছয়টি গ্রামে দেখা দেবে শোকের আবহ। ক্রমশঃ নিস্তব্ধ হয়ে যাবে কান্নাঘরে ঘুমরে ওঠা শব্দ। কিন্তু বছরের পর বছর ছেলেহারা মা ও বাবার নীরব কান্না যেন থামার নয়। মধ্যরাতে বিছানায় হাতড়ে না পেয়ে ছেলের শোকে হয়তো নীরবে চোখের জল ফেলবেন প্রিয় মমতাময়ী মা, রাতের আঁধারের সাথে মিশে গিয়ে এই কান্না এক সময় রূপান্তরিত হবে কঠিন এক শোকের পাথরে।

দুর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের মুখ থেকে তাদের অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়ার গল্প রীতিমত শিউরে ওঠার মত। কিশোর শিক্ষার্থীরা শোনায় ওই মূহুর্তে মৃত্যুকূপের আকর ধারণ করা বন্দিদশায় ওদের মৃত্যু-যন্ত্রণার কথা। সবাই বাঁচতে চেয়েছিল। বের হওয়ার পথ খুঁজে ব্যর্থ হয়। খেলা দেখে একসঙ্গে ফেরার পথে একত্রেই তাদের দেহ থেকে উড়ে যায় প্রাণ। তাদের মধ্য থেকে বেঁচে যাওয়া শিক্ষার্থীরা আজো ভুলতে পারছে না সেদিনের দুঃসহ স্মৃতিকথা।

আবুতোরাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং আবুতোরাব বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চিঠি লেখে তাদের হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের উদ্দেশ্যে। ছোট্ট সোনামনিদের লেখা চিঠিগুলো পড়ে হিম হয়ে আসে সমস্ত শরীর। মিরসরাই ট্র্যাজেডি যেন প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একা করে দিয়েছে। বেঁচে থাকা শিক্ষার্থীদের আশেপাশে অনেক মানুষের ভিড়। তবুও তারা যেন চরম একা। আশিক তার বন্ধু তোফাজ্জলকে উদ্দেশ্য করে লিখে। জাবেদুল ইসলাম, নিজাম, আফরিনা জাহান, নিজামদের এসব চিঠি পড়ে আরো একবার দু’চোখ জলে ভরে ওঠে।

একটি চিঠি এখানে তুলে ধরছি। বন্ধু জাহেদের উদ্দেশ্যে নিজামের লেখা এই চিঠি—

“বন্ধু, তোকে আজ আমার খুব মনে পড়ছে। আচ্ছা, আমার কথাও কি তোর মনে পড়ছে? জানিস, আমি তোর জন্য খুবই কান্না করি। আমার কি মনে হয় জানিস? আমার মনে হয়, তুই এখনো আমার সঙ্গে খেলা করছিস। বন্ধু, আমি তোর শেষ ইচ্ছা পূরণ করব। সেদিন তোর সঙ্গে আমিও তো খেলা দেখতে গিয়েছিলাম। একসঙ্গে আবার ফিরছিলাম। কত পাষাণ তুই। এভাবে আমাকে ছেড়ে চলে গেলি! আজও ফিরে এলি না।

তোর কি মনে পড়ে বন্ধু— আমরা যখন ট্রাকে উঠেছিলাম, তখন আমাদের মসজিদের ইমাম বলেছিলেন, ‘তোমরা এই ট্রাকটির মধ্যে এতগুলো একসঙ্গে যেও না। ট্রাকটি যেকোন মূহুর্তে দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে।’ কোন কথাই সেদিন শুনিনি। আমরা চলে গেলাম খেলা দেখতে। খেলায় জিতে আমাদের সে কি আনন্দ— এখনো ভুলতে পারিনি। আমাদের স্কুল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। খেলা দেখে ফেরার পথে আমরা হাততালি দিয়ে আনন্দ মিছিল করছিলাম…।

আমি তোর মত একটা ভালো সহপাঠী হারিয়েছি। আর কেউ মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মায়ের বুকে ফিরে আসে। তুই আমাকে ছেড়ে চলে গিয়ে যে কষ্ট দিয়েছিস, তা প্রতি মূহুর্তে আমাকে বেদনাময় করে তোলে। আমার কাছে সবচেয়ে বেশি দুঃখ লাগে যে, সবার বন্ধু আছে। অথচ আমার বন্ধু নেই। আমার খেলার সাথী নেই। সবাই যখন বন্ধু নিয়ে খেলা করে, তখন আমার বুকফাটা কান্না আসে। সেই কান্না কাউকে দেখাতেও পারি না।

জানিস, সামনে আমাদের সমাপনী পরীক্ষা। প্রতিবছর আনন্দের সাথে তুই আর আমি একসঙ্গে পরীক্ষা দিতাম। কিন্তু এ বছর তুই নেই। তোকে ছাড়া কিভাবে পরীক্ষা দেব বুঝতে পারছি না।

জানি, তুই আর ফিরতে পারবি না। তবুও আশা করি, এই পরীক্ষার আগে তুই ফিরে আসবি আমার কাছে। তুই এসে মুছে দিবি আমার মনের দুঃখ, বেদনা, হাহাকার।”
ইতি তোর প্রিয় বন্ধু, নিজাম।

(আমার লেখা গ্রন্থ ‘মিরসরাই ট্র্যাজেডি’ থেকে)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।