কামরাঙ্গীরচর

খাদ্যমন্ত্রীকে ছাত্রলীগ নেতার চ্যালেঞ্জ

ঢাকা-২ আসনের সাংসদ খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামকে চ্যালেঞ্জ করলেন কামরাঙ্গীরচর থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক এম এইচ মাসুদ মিন্টু। চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে তাকেসহ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত অনুমান করে এই চ্যালেঞ্জ ছোঁড়েন তিনি।

এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট করেন মিন্টু। সেটি কিছুটা পরিমার্জিত করে তুলে ধরা হলো—

‘খাদ্যমন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ, মাদকবিরোধী অভিযানকে আপনার রাজনীতিক ফায়দা হিসাবে ব্যবহার করার জন্য। আমাদেরও হয়ত একরামের মত প্রাণ দিতে হবে। আপনার নমুনাতে তাই বুঝা যাচ্ছে। আমাদের একটাই অপরাধ আমরা কেরানীগঞ্জ উপজেলার সম্মানিত চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সংগ্রামী আহবায়ক, ঢাকা ২ আসনের যোগ্য নৌকার প্রার্থী শাহীন আহমেদ ভাইয়ের সমর্থন করি।

আপনার লোক মাদকসেবী এবং ব্যবসায়ী তথ্যসহ প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও ওদের বাসায় পুলিশ যায় না। শুধু শাহীন ভাইয়ের রাজনীতি করার কারণে আমাদের আপনি মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদকের নামে বাসা বাড়িতে তল্লাশি করতে হুকুম দেন পুলিশকে।

আজ কামরাঙ্গীরচর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান রতন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি এম এ রহমান, কামরাঙ্গীরচর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ওমর ফারুক, কামরাঙ্গীরচর থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোরসালিন হোসেনকে কেন শাহীন ভাইয়ের রাজনীতি করার জন্য তল্লাশি এবং হুমকি দেওয়া হয়।

মাননীয় মন্ত্রী আপনাকে চ্যালেঞ্জ করে বলছি, আপনার কর্মীদের ড্রপ টেষ্ট করবেন আর আমাদের ড্রপ টেষ্ট করবেন। যদি আমরা মাদককের সাথে জড়িত পান এবং কোন প্রমাণ থাকে, আমরা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত আমরা রাজনীতি থেকে সরে যাব এবং আইন আমাদের যে শাস্তি দেওয়া হবে আমরা মাথা পেতে নেব।

কামরাঙ্গীরচরে চার ভাগে মাদকের অভিযান চলবে। ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা আমি এবার হয়তো আমার পালা। আমার বংশের সবাই কামরাঙ্গীরচরের স্থায়ী বাসিন্দা আওয়ামী লীগ পরিবাবের সন্তান আমি। এই আওয়ামী লীগ করার কারণে আমার মামা একটা চোখ হারিয়েছে। আমার আরেক মামার অনেক রক্তও ঝরেছে; ভোট কেন্দ্রে বিএনপির হাতে। আমার বড় মামা মুক্তিযোদ্ধা ছিল। আমার চাচার জীবনটা নষ্ট হয়ে গিয়েছে এই আওয়ামী লীগ করার অপরাধে।

আমি কামরাঙ্গীরচর থানা ছাত্রলীগের কর্মী ছিলাম। কামরাঙ্গীরচর থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক-সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছি। বর্তমানে কামরাঙ্গীরচর থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছি। যদি আমার নেতা রতন ভাই এবং আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখলদার, মাদক একটা অভিযোগ থাকে রাজনীতি ছেড়ে দিব। আমাদের মাদক ব্যবসায়ী বানাবার অপচেষ্টা বন্ধ করেন।

মাননীয় মন্ত্রী, একরামের মত অবস্থা হয়তো আমাদের ভিতর থেকে একজনকে বানাতে পারবেন। আমাদের সবাইকে পারবেন না। সাধারন মানুষ আমাদের পক্ষে রয়েছে। আল্লাহ আমাদের সাথে আছে।’

(আংশিক পরিমার্জিত)

One thought on “খাদ্যমন্ত্রীকে ছাত্রলীগ নেতার চ্যালেঞ্জ

  • জুন 8, 2018 at 11:06 অপরাহ্ন
    Permalink

    আওয়ামীলীগ তারাই নষ্ট করছে যারা মাঠে না পেরে ্্্্্্্্

    Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।