গ্রেফতারের দাবিতে আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ সমাবেশ

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি : শ্রীপুর থানায় ৫৭ ধারায় মামলা

গাজীপুরের শ্রীপুরে আব্দুল মালেক নামে এক সাংবাদিকের ফেসবুক আইডি থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে স্থানীয় আওয়ামলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন মৃধা জর্জ বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

আজ শুক্রবার বিকেলে পৌরসভার চন্নাপাড়া এলাকার হাছেন আলীর ছেলে আব্দুল মালেককে গ্রেফতারের দাবিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ ও ছাত্রলীগের শত শত নেতাকর্মী রাস্তা নেমে এসে বিক্ষোভ করেন।

তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি আইনের মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০ মে রাতে ‘হৃদয়ে বাংলাদেশ’ নামক একটি আইডি থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শৈশবের একটি ছবিতে পোস্ট করা হয়। সেই ছবির নিচে আবদুল মালেক ‘সারা বিশে^র শ্রেষ্ঠ ডায়নী’মন্তব্য করেন। পরে সেই মন্তব্যটি ভাইরাল হয়ে যায় এবং তার বিচারের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় উঠে। শ্রীপুর পৌর মেয়র মো. আনিছুর রহমান বলেন, মালেক আওয়ামীলীগে কিছু লোকের আশ্রয়ে থেকে প্রধানমন্ত্রীর সম্পর্কে এমন মন্তব্য করার সাহস দেখিয়েছে।

কথিত দুয়েকজন নেতা দীর্ঘদিন ধরে তাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে এবং শ্রীপুর প্রেসক্লাবের একাংশের সাধারণ সম্পাদক করে রেখেছে। এ ঘটনার পর নিজে রক্ষা পাওয়ার তড়িঘড়ি করে মালেককে ওই কমিটির সকল পদ থেকে সামায়িক বরখাস্তা করা হয়েছে। মালেকের এমন কটুক্তির প্রতিবাদে গতকাল শুক্রবার বিকেলে মাওনা চৌরাস্তা ফ্লাইওয়ভারের নিচে শত শত নেতাকর্মী জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন মৃধা জর্জের সভাপতিত্বে আওয়ামলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন। শ্রীপুরে থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান বলেন,‘এ ঘটনায় তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা হয়েছে। মালেককে গ্রেফতারে অভিযান চলেছে।’

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আব্দুল মালেক সাংবাদিকদের বলেন,তার ফেইসবুক আইডি হ্যাক করে কে বা কারা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তির পোস্টে বির্তকিত মন্তব্য করে তাকে বেকায়দা ফেলা হচ্ছে। বুধবার রাতে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরীও করেছেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।