বৈবাহিক সম্পর্কে গতি আনতে সাহায্য করবে সেক্স রোবট!

আপনি বৈবাহিক সম্পর্কে গতি আনতে চান? বাসায় একটি সেক্স রোবট রাখার কথা আপনি ভেবে দেখতে পারেন। আধুনিক সেক্স রোবট ‘সামান্থার’ স্প্যানিশ আবিষ্কারক সের্গি সান্তোস এমন পরামর্শই দিচ্ছেন।

৩৯ বছর বয়সী এ ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার জানান, তার ১৬ বছরের সঙ্গী মারিস্তা কিসামিতাকির যখন ইচ্ছা থাকে না, তখন সামান্থা তাকে যৌন অনুভূতি পেতে সাহায্য করে।

সান্তোস বলেন, ‘পুরুষরা ভাবে সাধারণত নারীরা যৌনতার জন্য উন্মুখ। কোনো পুরুষ যদি মনে করে তার নারী সঙ্গীটি তার সঙ্গে যৌনতায় সন্তুষ্ট নয়, তাহলে সে যৌন সম্পর্ক সুখকর হয় না। যৌন সম্পর্কে সমস্যার এটা অন্যতম একটা কারণ।’

সেক্স ডল কীভাবে তার যৌনজীবনে প্রভাব ফেলেছে, তার বর্ণনা দিতে গিয়ে সান্তোস বলেন, ‘অনেক সময় দিনের বেলায় আমি শারীরিক মিলন চাই, কিন্তু আমার স্ত্রী সেটা চায় না। দেখুন, এই যৌনতার চাহিদা দুজনের একই সময়ে তৈরী না হওয়ার কারণে অনেক সম্পর্ক ভেঙে যায়। আমি আমার বিয়েকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারি না।’

সান্তোস তার তৈরী প্রতিটি সেক্স ডল তিন থেকে সাত হাজার ডলারে বিক্রি করছেন। আর সান্তোসের সঙ্গী কিসামিতাকিও বলছেন, সেক্স ডলের সাথে তার স্বামীর যৌনতায় তিনি কোনো সমস্যা দেখছেন না।

কিসামিতাকি বলেন, ‘দম্পতিদের ক্ষেত্রে যতক্ষণ পর্যন্ত বিশ্বাস ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকবে ততক্ষণ কোনো সমস্যা হবে না। সেক্স ডল তখন তাদের উপকারে আসতে পারে।’

সান্তোস ‘সামান্থা’ নামের নারী সেক্স রোবট বানালেও তিনি এখন পুরুষ সেক্স রোবট বানানোর পরিকল্পনা করছেন। পুরুষ সেক্স রোবট বানালে সেটি তাদের সম্পর্কে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটা নিয়ে এখনো নিশ্চিত নন তিনি।

সান্তোস বলেন, ‘আমার মনে হয় ও (স্ত্রী) যদি পুরুষ সেক্স রোবট ব্যবহার করে, তাহলে আমার কিছুটা হিংসা হবে। আমি যদি দেখি সে পুরুষ সেক্স রোবটকে আমার চেয়ে বেশি পছন্দ করছে, তার মানে হচ্ছে সে আমার সঙ্গে আর থাকতে চাচ্ছে না। আমি তখন সম্পর্কচ্যুত (তালাকপ্রাপ্ত) হতে পারি।’

পুরুষ সেক্স রোবট নিয়ে কিসামিতাকির মনেও আগ্রহ আছে। তিনি বলেন, ‘আমার এটা নিয়ে আগ্রহ আছে। ব্যক্তিগতভাবে কৌতূহলবশত আমি এটা ব্যবহারও করতে পারি। দেখা যাক।’

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।