উত্তরা ইউনিভার্সিটির ছেলেমেয়েদের জন্যে ভালবাসা

একটা সময় ছিলো যখন পত্রিকা খুললেই এসিড নিক্ষেপের নিউজ। এসিড ঝলসানো মুখ। এর পেছনে মূল কারণ ছিলো এসিডের সহজলভ্যতা। তখন ওষুধের দোকানেও এসিড পাওয়া যেতো।

যে কেউ চাইলেই এসিড কিনে আনতে পারতো আর ঝলসে দিতে পারতো একটা মেয়ের ভবিষ্যতকে। এরপর কড়া আইন জারি হলো এসিড কেনাবেচার উপর। এসিডের সহজলভ্যতা কমলো, এসিড নিক্ষেপকারীর শাস্তি কঠোর করা হলো ধীরে ধীরে এসিড নিক্ষেপের হার প্রায় শূণ্যের কোঠায় নেমে এলো।

কিছুদিন যাবত বাসে হয়রানির মাত্রা এতো বেড়েছিলো মনে হচ্ছিলো এর থেকে বোধহয় রেহাই নেই।

আজ উত্তরা ইউনিভার্সিটির ছেলেমেয়েরা দেখিয়ে দিছে কিভাবে শায়েস্তা করতে হয় জানোয়ারদের। এবার হয়তো বাসে হয়রানি বন্ধ হবে। এইভাবে একদিন নিশ্চয়ই রেইপের হার ও শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনবো আমরা। আমরা থামবো না। আমরা হারবো না। আমরা ভয় পাবোনা কিছুতে।

তারুণ্য চাইলে সব হবে সব।উত্তরা ইউনির সেইসব ভাইবোনদের জন্য অনেক অনেক ভালবাসা।

রুমানা আফরোজের ফেসবুক পোস্ট  থেকে নেয়া

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।