ফুটবলের পর ক্রিকেটেও কি চমক সৃষ্টি করবে আইসল্যান্ড?

বিশ্ব ক্রিকেটে ঢুকছে এক নতুন দল। মাত্র কয়েক লাখ মানুষের দেশ আইসল্যান্ড তাদের প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ খেলবে এ বছরের জুলাইতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে।

আইসল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জুলাইতে ইংল্যান্ড সফরে যাবে দলটি। সেসময় মোট চারটি ম্যাচ খেলবে। এর মধ্যে দুটি ম্যাচ ক্রিকেটে নতুন যোগ দেয়া আরেক দেশ সুইটজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে।

১৯৯৯ সালে প্রথম আইসল্যান্ডে ক্রিকেট খেলা শুরু হয়। এরপর দ্রুতই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ক্রিকেট।

আইসল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান জ্যাকব রবার্টসন বলেন, “আমরা প্রথম আন্তর্জাতিক সফরের সময়সূচী তৈরি করার জন্য অনেক কষ্ট করেছি। এই সফর নিয়ে আমরা বেশ উত্তেজনার মধ্যে আছি।”

আইসল্যান্ডের মাত্র দুটি ক্রিকেট দলের একটি 'রেকিয়াভিক ভাইকিংস'।আইসল্যান্ডের মাত্র দুটি ক্রিকেট দলের একটি ‘রেকিয়াভিক ভাইকিংস’।

আইসল্যান্ড এখন ইউরোপীয় ক্রিকেট কাউন্সিলে যোগ দেয়ার আশা করছে। তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সহযোগী সদস্য হওয়ারও আশা রাখে। সুইটজারল্যান্ড ইতোমধ্যে আইসিসি’র সহযোগী সদস্য হয়ে গেছে।

আইসল্যান্ডে বর্তমানে মাত্র দুটি ক্রিকেট টিম রয়েছে। একটি ‘রেকিয়াভিক ভাইকিংস’, অপরটি ‘কোপাভুগার পাফিন্স।’ দুটি দলেরই বেশিরভাগ খেলোয়াড় অবশ্য বিদেশ থেকে আসা।

আইসল্যান্ড খুব ছোট একটি দেশ হওয়ার পরও খেলাধূলায় তারা বেশ ভালো করছে। দেশটি ইতোমধ্যে প্রথম বারের মতো বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার জন্য উত্তীর্ণ হয়েছে। এ বছর রাশিয়ায় বিশ্বকাপ ফুটবলে খেলবে তারা।

২০১৬ সালে আইসল্যান্ড ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন্সশীপে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দিয়েছিল, এর ফলে সেবার টুর্ণামেন্টের দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল ইংল্যান্ডকে। মাত্র তিন লাখের মতো জনসংখ্যার একটি দেশের কাছে এই পরাজয় ইংল্যান্ডের জন্য চরম লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।