মোট সিজিপিএ কিভাবে বের করবেন?

GPA(Grade Point Average) এবং CGPA(Cumulative Grade Point Average) দুটি শব্দের সাথে আমরা পরিচিত। এর মধ্যে জিপিএ আমরা মেট্রিক ও ইন্টারমিডিয়েট পাস করার পর হিসেব করতে পারলেও অনার্স পড়তে  এসে বুঝতে পারি না সিজিপিএ কিভাবে বের করব।

৪ বছরের কোর্সে প্রতি বছর আপনি যে মার্ক অর্জন করবেন সেটার গড়কে বলা হয় GPA আর ৪ বছরের মোট রেজাল্টের গড়কে বলা হয় CGPA.
 
প্রতি ইয়ারে সাবজেক্ট ভিত্তিক ক্রেডিট থাকে। এটা আপনার সিলেবাসে প্রতিটা সাবজেক্ট এর পাশেই লেখা দেখবেন। এটি ক্রেডিট বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা ডিপার্টমেন্ট ভেদে ভিন্ন হ তে পারে। 
 
বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেডিং সিস্টেম-
 
৮০%-৮০+% = এ+(৪.০০) ১৬
৭৫%-৭৯% = এ(৩.৭৫) ১৫
৭০%-৭৪% = এ-(৩.৫০) ১৪
৬৫%-৬৯% = বি+(৩.২৫) ১৩
৬০%-৬৪% = বি(৩.০০) ১২
৫৫%-৫৯% =বি-(২.৭৫) ১১
৫০%-৫৪% = সি+(২.৫০) ১০
৪৫%-৪৯% = সি(২.২৫)  ৯
৪০%-৪৪% = ডি(২.০০) ৮
৪০% এর নিচে= এফ(০.০০)
 
 
কোর্স ভিত্তিক নাম্বারের ভিন্নতা থাকতে পারে। যেমন সব কোর্স ১০০ নাম্বারের হয় না। কিছু কোর্স থাকে দুটো ৫০ করে ১০০ নাম্বার। 
এক ইয়ারে আপনি যে বিষয়গুলা পড়বেন এদের প্রত্যেকটিকে একেকটি কোর্স বলা হয়। পাশ নম্বর বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক তারতম্য আছে।
 
 
তাহলে ধরি আপনি প্রথম বর্ষে মোট ৬ টি সাবজেক্ট পড়ছেন। প্রত্যেকটা ৪ ক্রেডিট করে মোট ২৪ ক্রেডিট। এবার পরীক্ষায় প্রত্যেক সাবজেক্টে  আপনি পেয়েছেন ৪০ করে। তাহলে ৪০ পেলে ২ পয়েন্ট পেয়েছেন প্রতি সাবজেক্টে। তাহলে ৬টি সাবজেক্টে পেয়েছেন (৬*৮) মানে ৪৮ পয়েন্ট। উপরে লক্ষ্য করুন প্রতিটা সাবজেক্ট এর পাশে ঠিক কত নাম্বার পেলে কত পয়েন্ট হবে সেটা লেখা আছে।  তিাহলে ৪৮/২৪ তাহলে আপনার সিজিপিএ ২।
এবার প্রতিটা সাবজেক্টে যদি আপনি ৮০ নাম্বার করে পান আপনার পয়েন্ট প্রতিটায় হবে ১৬ করে। তাহলে ৬টি সাবজেক্ট কে গুণ করবেন ১৬ দিয়ে। মানে (১৬*৮=১২৮/২৪= ৪ মানে আপনার সিজিপিএ ৪।
 
সব ইউনিট এই নিয়ম অনুসরন নাও করতে পারে আমি যেটা দেখিয়েছি সেটা সাধারন নিয়ম অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ই এই নিয়ম অনুসরন করে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।